ওসমানী জাদুঘরে আলোচনা সভা
বঙ্গবীর ওসমানী ছিলেন আজীবন গণতন্ত্রী ও নীতির প্রশ্নে আপসহীন
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:২১:৫২ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার: মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানী ছিলেন আজীবন গণতন্ত্রী ও নীতির প্রশ্নে আপসহীন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য সমরকৌশল ও নেতৃত্ব যেমন জাতিকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নিয়েছে, তেমনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে তাঁর অবদান সর্বজনবিদিত। তবে তাঁর যথাযথ মূল্যায়ন এখনো হয়নি-এমন আক্ষেপ করে বক্তারা বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের আহ্বান জানান।
বঙ্গবীর ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার ওসমানী জাদুঘর আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। নাইওরপুলস্থ জাদুঘরে সাংবাদিক-কলামিস্ট আফতাব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহম্মেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন-সিলেট প্রেসক্লাব-এর সভাপতি মুকতাবিস উন নূর, মদনমোহন কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লে: কর্নেল (অব:) আতাউর রহমান পীর, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও ওসমানী গবেষক মুহাম্মদ ফয়জুর রহমান, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম এবং ফুলকলি ফুড প্রোডাক্ট লিমিটেড-এর ডিজিএম জসিম উদ্দীন। সভা পরিচালনা করেন জাদুঘরের স্টোর সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক মো. নয়নমনি।
বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবে বঙ্গবীর ওসমানী যে দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কৌশল প্রয়োগ করেছিলেন, তা বিশ্ব সামরিক ইতিহাসেও প্রশংসিত। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, শৃঙ্খলাবোধ এবং দেশপ্রেম মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল। স্বাধীনতার পরও তিনি গণতন্ত্র, সুশাসন ও নৈতিক রাজনীতির পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেন।
এ উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতা, খতমে কুরআন, দোয়া মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বঙ্গবীর ওসমানীর আদর্শ ও অবদান তুলে ধরতে গবেষণা, প্রকাশনা ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া মাহফিলে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।



