শাকসু নির্বাচন : ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ২ দাবী
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ মার্চ ২০২৬, ১:৪৬:০০ অপরাহ্ন
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি : সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচন দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেল। এসময় অবিলম্বে শাকসু নির্বাচনসহ দুই দফা দাবি জানানো হয়।
গতকাল সোমবার (২ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।
এসময় লিখিত বক্তব্যে প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী দেলোয়ার হাসান শিশির বলেন, প্রার্থীরা দিন-রাত কষ্ট করে প্রচার-প্রচারণায় শেষে যখন নির্বাচনের অপেক্ষা করছিলেন, সেদিন (১৮ জানুয়ারি) হাইকোর্টে শাকসু নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট করা হয়। রিটকারীর পক্ষে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা এবং শাবিপ্রবি ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যরা সহযোগিতা করেন।
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করে শাকসু স্থগিতের দাবি জানায়। আদালত চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দেন। ১৯ জানুয়ারি বিএনপিপন্থি ৯ শিক্ষক নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন এবং বিএনপিপন্থি কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচনে সহযোগিতা করবে না বলে জানান।
তিনি বলেন, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে জাতীয় নির্বাচনের আগে শাকসু নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। তবে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি স্থগিতাদেশের চার সপ্তাহ অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু আমরা এখনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নতুন তারিখ ঘোষণার কোনো লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি না। এ অবস্থায় শাকসু নির্বাচনের বিষয়ে আমরা দুই দফা দাবিতে পৌঁছেছি। দাবিগুলো হলো- হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ শেষ হওয়ায় অবিলম্বে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শাকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করতে হবে; শাকসু নির্বাচন স্থগিতের সঙ্গে জড়িত রিটকারী এবং তাদের সহযোগী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলের জিএস প্রার্থী মুজাহিদুল ইসলাম, এজিএস প্রার্থী শাকিল মাহমুদ, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক আমিনা বেগম, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহীম বিন ইসলামসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, রিটের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইজীবীরা দেখছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।



