জৈন্তাপুরে বালু উত্তোলনের দায়ে ৮ জন নৌকা শ্রমিককে আটক করে সাজা
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ১২ মার্চ ২০২৬, ১২:৪২:৩৬ অপরাহ্ন
জৈন্তাপুর (সিলেট) থেকে নিজস্ব সংবাদদতা : সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের ফেরীঘাট বড়গাং নদী তীরবর্তী ফসলি জমি ধ্বংস করে বালু উত্তোলনের দায়ে ৮ জনকে নৌকা শ্রমিককে আটক করে প্রশাসন বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফসলি জমি ধ্বংস করে নদী তীরবর্তী বসতভিটায় ঝুঁকিপুর্ণ এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করায় প্রশাসন এই অভিযান পরিচালনা করে।
বুধবার বিকেল ৩ থেকে সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত ফেরীঘাট বড়গাং নদীর জাঙ্গালঘাট, রুপচেং গরুর ঘাট ও সারী-২ এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা অভিযানে নেতৃত্বে দেন।
এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) পলি রানী দেব ও জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ফোর্স।
নিজপাট ইউনিয়নের জাঙ্গালঘাট বড়গাং নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে ৪জন নৌকা শ্রমিক আটক করা হয়। উপজেলার লক্ষিপ্রসাদ গ্রামের শহীদ মিয়ার পুত্র ইসমাইল হোসেন (২০), রুপচেং এলাকার কন্টু মিয়ার পুত্র তাবাসসুম আহমেদ (১৭), পূর্ব লক্ষিপ্রসাদ গ্রামের রফিকুল হকের পুত্র খায়রুল ইসলাম (২৪) ও জাঙ্গালঘাট গ্রামের হারুন মিয়ার পুত্র মামুনুর রশীদ (১৮)। ঘটনাস্থলে ১০ টি বারকি নৌকা করাত দিয়ে কেটে ধ্বংস করা হয়েছে।
সারী-২ ভিতরগোল এলাকার সফাত উল্লাহর পুত্র জামাল উদ্দিন (২৫), একই গ্রামের খলিলুর রহমানের পুত্র আসাদ আহমেদ (২৮), গোয়াইনঘাট ধর্মগ্রামের অলিউর রহমানের পুত্র সেবুল আহমেদ (৩৫), শফিক মিয়ার পুত্র আব্দুল করিম (৪৫)। সাজা প্রদান করা শ্রমিকদের জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এব্যাপারে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফসলি জমি ধ্বংস করে নদীর তীরবর্তী বসতভিটা ঝুঁকিতে ফেলে বালু উত্তোলন করায় বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে আটক শ্রমিকদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন,পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।



