অবৈধ বালুবাহী নৌকার ধাক্কায় পর্যটকসহ সাদাপাথরের নৌকার মাঝি আহত
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ জুলাই ২০২৫, ১:৩৬:৩০ অপরাহ্ন
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর লীজবহির্ভুত বাংকার থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী নৌকার ধাক্কায় পর্যটকবাহী নৌকার মাঝি ও পর্যটক আহত হয়েছেন। রোববার সকালে কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর পর্যটনস্পট এলাকায় পর্যটক বহনকারী নৌকার সাথে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন নৌকার মাঝি বতুল্লা মিয়া।
জানা যায়, রোববার সকালে প্রতিদিনের মতো পর্যটক নিয়ে সাদাপাথর যাচ্ছিলেন নৌকার মাঝি বতুল্লা মিয়া। সেখানে যাওয়ার পথে বাংকার থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা এসে ওই নৌকাকে ধাক্কা দিলে সেটা সেখানেই ভেঙ্গে যায়। পরে ওই নৌকার ধাক্কায় গুরুতর আহত হন নৌকার মাঝি বতুল্লা মিয়া। আর আহত হন নৌকায় থাকা অপর ৬ জন পর্যটক। পরে বতুল্লা মিয়াকে সেখান থেকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে চিকিৎসকরা তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এখন তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
এবিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে সকালে স্থানীয় সাংবাদিকরা অবগত করলেও তিনি রোববার সন্ধ্যায় জানান, আমি বিষয়টা সম্পর্কে এখন জানতে পারলাম। ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এর আগে গত ২৪ জুলাই বালুবাহী নৌকা ধাক্কা দেয় পর্যটকের নৌকায়। এতে আহত হয় পর্যটকবাহী নৌকার মাঝি মনাই ও যশোর থেকে আসা পর্যটক ইশতিয়াক। পরে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন। গত প্রায় ১৫দিন থেকে পর্যটকবাহী নৌকার সাথে এমন ঘটনা ঘটছে। এতে অনেক পর্যটক ও মাঝি আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন রোপওয়ে বাংকার ও ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্ট থেকে শত শত ইঞ্জিন চালিত ও বারকি নৌকা দিয়ে বালু নিয়ে আসা হচ্ছে। এসব বালু সাদাপাথর নৌকা ঘাটে স্তুপ করে রাখা হচ্ছে। যার ফলে পর্যটকবাহী নৌকা চলাচল করতে পারছে না। এসব ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের কাছে মাঝিরা নিয়মিত অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এবিষয়ে বারবার ফোন দিলেও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুন্নাহার ফোন ধরেন নি।




