অচলাবস্থার পর খাজাঞ্চিবাড়ি স্কুলে তিন শিক্ষককে দায়িত্ব প্রদান
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২৯ আগস্ট ২০২৫, ৮:২৭:৩১ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ॥ অচলাবস্থার পর সিলেটের প্রথম ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল দি সিলেট খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ (এসকেআইএসসি) অবশেষে তিনজন সিনিয়র শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপালের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ফলে আগামী রোববার থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সিনিয়র শিক্ষক মুজিবুর রহমানকে প্রিন্সিপাল ইনচার্জ এবং আবেদা ইসলাম ও মো: রোকন উদ্দিনকে দেয়া ভাইস প্রিন্সিপাল ইনচার্জের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন প্রিন্সিপাল-ভাইস প্রিন্সিপাল না থাকায় গত ২৬ আগস্ট থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। তবে, গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে স্মরণীয় দিন। সকালে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে এসে দেখতে পান, বিদ্যুত নেই। বিদ্যুত না থাকায় অনেক শিক্ষার্থীরা শরীর ঘর্মাক্ত হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরানো যাচ্ছিল না। বিদ্যুত না থাকায় দেখা দেয় পানিরও সংকট। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন অভিভাবকরা। তারা শুরু করেন বিক্ষোভ। পরিস্থিতি অবহিত করা হয় সিলেট প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের। বেলা পৌনে ১০টার দিকে প্রতিষ্ঠানে ছুটে আসেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নুরের জামান। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করেন। তারা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল নিয়োগের দাবি তুলে তাকে বহনকারী জিপের সামনে ব্যারিকেডের সৃষ্টি করেন। এক পর্যায়ে এডিসি (শিক্ষা) তিনজনকে প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল নিয়োগের মৌখিক নির্দেশনা দেন। ফলে পরিস্থিতি আপাত শান্ত হয়।
সূত্রমতে, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো: সারোয়ার আলম হচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান। জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসকের পক্ষে এডিসি (শিক্ষা)-র প্রতিষ্ঠানটি দেখভালের কথা।
যোগাযোগ করা হলে এডিসি (শিক্ষা) নুরের জামান জানান, খবর পেয়ে নিয়ে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
জনৈক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে জানান, তারা আশা করছেন রোববার থেকে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।




