মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার
‘সরকার আইনগত সহায়তাকে মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে চায়’
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ২:১২:১৯ অপরাহ্ন
ডাক ডেস্ক ॥ সিলেট জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের আয়োজনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের প্রসারে আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ- ২০২৫ ও আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা-২০২৫ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল রোববার আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ইসরাত ইবনে ইসমাইল।
সেমিনারে মুখ্য আলোচক সিনিয়র সিভিল জজ ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার বিশ্বেশ্বর সিংহ বলেন, সরকারের আইনগত সহায়তা সেবা দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিতে একটি অন্যতম হাতিয়ার। সরকার আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা ২০২৫- প্রণয়নের মাধ্যমে এই সেবা আরও সহজলভ্য ও জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
‘পাশাপাশি সরকার সিলেট জেলাসহ প্রকল্পভুক্ত ১২ টি জেলায় পারিবারিক বিরোধ, পিতা মাতার ভরণপোষণ, বাড়ীভাড়া, অগ্রক্রয়, বন্টন, যৌতুক দাবি প্রভৃতি বিরোধের জন্য মামলাপূর্বক বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতার বিধান চালু করেছে। সরকার সিলেট জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বিচারপ্রার্থী জনগণের বিরোধের মধ্যস্থতা করার জন্য একজন সিনিয়র সিভিল জজকে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে পদায়নের পাশাপাশি যথাক্রমে একজন যুগ্ন জেলা জজকে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার ও একজন অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজকে স্পেশাল মেডিয়েটর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।’
তিনি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের প্রদও সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বিচার ব্যবস্থাকে আরো জনবান্ধব ও ন্যায়বিচারে সকলের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতে আইনগত সহায়তা সেবা কার্যক্রম শক্তিশালী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন স্কুল অব ল’-এর ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ শেখ আশরাফুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইন ও বিচার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান শের-ই-আলম ।
তিনি বলেন, সরকারি লিগ্যাল এইড সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আমাদের অনুপ্রাণিত করে। এছাড়াও সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষকমন্ডলী, ও বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীবৃন্দ। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মো. তারেক মিয়া। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগীতি চক্রবর্তী পূজা।




