জুলাই যোদ্ধারা আমাদের হৃদয়ের স্পন্দন, হবিগঞ্জে ধর্ম উপদেষ্টা
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ১:১৮:০৬ অপরাহ্ন
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম. খালিদ হোসেন বলেছেন, জুলাই যোদ্ধারা আমাদের হৃদয়ের স্পন্দন। জুলাই যোদ্ধাদেরকে উপযুক্ত মর্যাদা দেওয়ার জন্য সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর আমরা ক্ষমতা হস্তান্তর করে চলে যাব। আশাকরি, আগামী নির্বাচনে জনগণের আশা-আকাক্সক্ষাকার প্রতিফলন হবে। আমরা নতুন বাংলাদেশ চাই। দেশবাসী আগামী নির্বাচনের সময় হ্যাঁ ভোট দিয়ে যে সিদ্ধান্ত দিবেন ; তা ভবিষ্যতে কেউ বদলাতে পারবে না।
ধর্ম উপদেষ্টা গতকাল সোমবার বেলা ১১ টায় ‘গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে’ জেলা ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দানকালে এ কথাগুলো বলেন। হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদোগে স্থানীয় নিমতলায় আয়োজিত ইমাম সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন। বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মোছাঃ ইয়াছমিন খাতুন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুজ্জামান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ার মাহমুদ, মৌলানা মোস্তাফিজুর রহমান আল আজহারী, মৌলানা আব্দুস সালাম, শাহ মোঃ আবুল হাসান, এডভোকেট মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক, জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ আমিনুল হক প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বলেন, আমরা জুলাই বিপ্লবের চেতনা গণভোটে ধারণ করতে চাই। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে ফ্যাসিবাদ আর মাথাচারা দিতে পারবে না। ইচ্ছামতো কোন সরকারি দল সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না, এজন্য গণভোট হতে হবে। গণভোট এদেশে নতুন নয়। অতীতে ১৯৪৭ সালেও সিলেট বিভাগের জনসাধারণ গণভোটে বিজয়ী করায় সিলেট অঞ্চল পাকিস্তানের সাথে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখনো গণভোট প্রচলিত আছে। ইতোপূর্বে আমাদের দেশেও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামীতে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করে জুলাই সনদের আলোকে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়ী করা হলে স্বাভাবিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি ফিরে আসবে। তিনি বলেন, আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ দেখতে চাই। উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দেশবাসীকে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য তিনি আহ্বান জানান।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, এ বছর ৮০ হাজার হজযাত্রী পবিত্র হজ করতে যাবেন। বিমানবন্দরে তাদেরকে এম্বারকেশন ফি হিসাবে জনপ্রতি ৫৯৮২ টাকা দিতে হতো। বর্তমান সরকার তা মওকুফ করে দিয়েছেন। এছাড়াও সরকার ইমামদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সম্মেলনের শুরুতে ‘গণভোটের গাড়ি’ থেকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর বক্তব্য ডিজিটাল স্ক্রিনে প্রচার করা হয়।




