শাকসুর দাবিতে শাবিতে ফের বিক্ষোভ
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন
শাবি প্রতিনিধি : সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের দাবিতে ফের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা। আজ শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্ত্বর থেকে বিক্ষোভ শুরু করে বিজয়-২৪ হল হয়ে সৈয়দ মুজতবা আলি হলের দিকে যায় বিক্ষোভ মিছিল। পরবর্তীতে মেয়েদের হল হয়ে আবার প্রশাসনিক ভবনে এসে মিলিত হয়।
‘এসময় বিক্ষোভকারীরা রিট করে শাকসু বন্ধ করা যাবে না, লেগেছে রে লেগেছে রক্তে আগুন লেগেছে, এসো ভাই এসো বোন গড়ে তুলি আন্দোলন, মব করে শাকসু বন্ধ করা যাবে না’ বলে নানা স্লোগান দেন।
এর আগে দুপুরে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান করেন বিক্ষোভকারীরা। এসময় বক্তব্য রাখেন- দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী দেলোয়ার হাসান শিশির, জিএস প্রার্থী মুজাহিদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী পলাশ বখতিয়ার, সাধারণের ঐক্যস্বর প্যানেলের এজিএস প্রার্থী হাফিজুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সালেহ মো নাসিম।
স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী পলাশ বখতিয়ার বলেন, ‘নানা তাল-বাহানার পরেও ন্যাশনাল ইলেকশনের আগে আমাদের ২০ তারিখ শাকসু নির্বাচন দেওয়া হয়। বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে এ শাকসু বন্ধ করার চেষ্টা করছে। আমরা শিক্ষার্থীদের কথা বলেছি। তারা আশঙ্কা করছে, শাকসু যদি না হয় পূর্বের যত অপরাজনীতি ফিরে আসবে। শিক্ষার্থীরা চায় শাকসু হোক। ভোটের মাধ্যমে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। হাইকোর্ট কিন্ত নানা তালবাহানা মাধ্যমে এটাকে বড় ইস্যু হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনেরও যথেষ্ট সিরিয়াসনেসের অভাব আছে। হাইকোর্টে এ রিটকে যেভাবে বিবেচনা করা উচিত , সেভাবে তারা নিচ্ছে না। আপিল করার পরও সেটার শুনানি হচ্ছে না। আমরা চাই রোববারে শুনানি হোক এবং রায়টি আমাদের পক্ষে আসুক। ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থীরা যেটা চায়, সেটাই হবে আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি।’
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আগামীকাল চেম্বার জজ আদালতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আপিলের শুনানি হবে বলে আশা করছি। ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে শাকসু নির্বাচন হতে হবে।
এদিকে গত বুধবার শাকসুর দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপ্লিট শাটডাউনেরও ঘোষণা দেন তারা।




