সিলেটের বাদামবাগিচায় কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্বে প্রাণ গেল সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ৫:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার : নগরীর বাদামবাগিচা এলাকার ইলাশকান্দিতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র শাহ মাহমুদ হাসান তপু (১৫) কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্বে প্রাণ হারিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ছুরিকাঘাতে আহত হয় তপু। গতকাল শুক্রবার সকালে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত তপুর বড় ভাই রুবেল আহমদ অভিযোগ করে বলেন, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তপুকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে জাহিদসহ কয়েকজন। তবে, কি কারণে তাকে হত্যা করা হলো তা জানেন না বলে জানান রুবেল।
এদিকে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) সাইফুল ইসলাম জানান, কিশোর গ্যাং নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে তপুকে হত্যা করা হয়েছে। তপু ও জাহিদ দু’জনেই বন্ধু এবং দুজনই কিশোর গ্যাংয়ের সাথে জড়িত। কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের কারণে এই হত্যাকান্ড।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে তপু ও জাহিদসহ দু’পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জাহিদকে তপু মারধর করে। পরে তপুকে ছুরিকাঘাত করে জাহিদ।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা দায়ের হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত জাহিদসহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন- এয়ারপোর্ট থানার খাসদবির এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. জাহিদ হাসান, কোতোয়ালী থানাধীন লোহারপাড়া এলাকার আব্দুল মনিরের ছেলে মো. অনিক মিয়া ও মো. বশিরুল ইসলামের ছেলে মো. জুনেদ আহমদ। তপু এয়ারপোর্ট থানাধীন ইলাশকান্দি বাদামবাগিচার উদয়ন ৪০/২ আবাসিক এলাকার শাহ এনামুল হকের ছেলে ও খাসদবির উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। ৪ ভাই, ২ বোনের মধ্যে সবার ছোট তপু। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তপুর দাফন সম্পন্ন হয়।
এদিকে, আগের রাতের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তপুর এক বন্ধু জানায়, রাতে ঘটনার সময় তপুরা ছিলো তিনজন। আর জাহিদরা ছিলো ১৫ থেকে ২০ জন। তবু তারা তপুকে মারতে পারতো না। কিন্তু ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তপু পড়ে যায়। এ সময় তার পেটে ছুরিকাঘাত করে জাহিদ।




