'আমরা সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই'
কোম্পানীগঞ্জের সাড়ে ৫শ’ শীতার্ত পেলো বিপিএ’র কম্বল
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১:১৭:৫০ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ॥ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেছেন, পেশাগত পরিচয়ের বাইরেও চিকিৎসকরা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যাপৃত থাকতে চান। কোম্পানীগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ এর উদাহরণ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রচন্ড শীতে নারী-শিশু-বয়স্করা কষ্ট পাচ্ছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।
বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশন (বিপিএ) সিলেট শাখার উদ্যোগে গতকাল বৃহস্পতিবার শীতবস্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিপিএ সভাপতি ডা: জিয়াউর রহমান চৌধুরী এসব কথা বলেন।
কোম্পানীগঞ্জের পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই শীতবস্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিপিএ সিলেট চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক ও ওসমানী মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা: আখলাক আহমদের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন- সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ওসমানী মেডিকেল কলেজের নিউরো সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা: এস এম আসাদুজ্জামান জুয়েল, কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম খান, বিপিএ’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা: মিনাক্ষী চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ ডাঃ এএইচএম খায়রুল বাশার, বিপিএ’র সমাজকল্যাণ সম্পাদক ডাঃ হুমায়ূন কবির, সদস্য ডাঃ রুহুল আমিন, ডাঃ ফাহমিদা চৌধুরী, ডাঃ মোহাম্মদ বেনজামিন, সিলেট প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনাস হাবিব কলিন্স, কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আলীম, সহ সভাপতি আনোয়ার সুমন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, ডাঃ মুজিবুর রহমান, কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল উদ্দিন, ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী আমিনুল হক প্রমুখ।
বিপিএ সাধারণ সম্পাদক ডা: আখলাক আহমদ বলেন, বিপিএ সব সময় মানবিক কাজের অংশীদার হতে চায়। কোভিডকালে সংগঠনটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়েছে। বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এমনকি দুস্থ-অসহায় মানুষের পক্ষ থেকে শীত নিবারণের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়। সকল ইতিবাচক কার্যক্রমের সাথে বিপিএ সম্পৃক্ত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরে ওই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের প্রায় সাড়ে ৫শ’ অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়।




