বিএনপি-জামায়াত নেতাদের নির্যাতন করেও আছেন দাপটের সাথে
সুনামগঞ্জে ওসি আমিনুলের পাঁচতলা বাড়িসহ বিপুল অবৈধ সম্পদ
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫২:২৩ অপরাহ্ন
কাউসার চৌধুরী ॥
সুনামগঞ্জ শহরের শান্তিবাগ এলাকায় পাঁচতলা বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণসহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের নির্যাতন, গায়েবি মামলা, গ্রেফতার-বাণিজ্য এবং চাঁদাবাজিতে সহযোগিতারও অভিযোগ রয়েছে। বিগত পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দমনে ভূমিকা রাখার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে থানার ওসি হিসেবে দাপটের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। অভিযোগগুলোর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনের সুনামগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক সাঈদ দৈনিক সিলেটের ডাককে বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে বিরোধী দলমত দমনে অতি উৎসাহী পুলিশ অফিসারদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম একজন। তার বিরুদ্ধে অসংখ্য দুর্নীতি ও বিরোধীদের দমনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তাকে দিয়ে বর্তমান সরকার কতটুকু সুশাসন নিশ্চিত করতে পারবে, তা নিয়ে আমি পুরোপুরি সন্দিহান। তিনি সুযোগ পেলেই ফ্যাসিস্টের পক্ষে কাজ করবেন এবং বর্তমান সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলবেন। সরকারকে তার ব্যাপারে আরও সতর্ক হওয়া উচিত। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে রাখা উচিত নয়। তার দুর্নীতিসহ সব কর্মকাণ্ড তদন্ত করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তবে ওসি আমিনুল ইসলাম এসব অভিযোগ নাকচ করে দাবি করেছেন, দায়িত্ব পালনের কারণে অসন্তুষ্ট ব্যক্তিরাই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন। পাঁচতলা বাড়ির মালিকানা স্বীকার করে তিনি জানিয়েছেন, ব্যাংক ঋণ নিয়ে বাড়িটি নির্মাণ করেছেন এবং ঋণ এখনো চলমান।
পৌরসভার নথিতে পাঁচতলা বাড়ির তথ্য ॥ অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাসননগর এলাকার শান্তিবাগে আমিনুল ইসলামের নামে পাঁচতলা একটি বাড়ি রয়েছে। ‘এ.আর.এস. মহল’ নামের বাড়িটির হোল্ডিং নম্বর ১৮১। পৌরসভার নথিতে ষোলঘর মৌজায় বাড়িটির মালিক হিসেবে আমিনুল ইসলাম এবং তার পিতার নাম সিদ্দিকুর রহমান উল্লেখ রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছর পর্যন্ত টানা পাঁচবছর বাড়িটির পৌরকর পরিশোধের তথ্য রয়েছে। চলতি অর্থবছরের পৌরকর হিসেবে ৭ হাজার ৯১৪ টাকা পরিশোধের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট রসিদে ২৯ জানুয়ারি তারিখ এবং জে.বি-২৮/৯/২৬ নম্বরের উল্লেখ রয়েছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাড়িটির জমির পরিমাণ আনুমানিক আট শতক। ওই এলাকায় প্রতি শতক জমির বাজারমূল্য ১৩ থেকে ১৫ লাখ টাকা বলে তাদের দাবি। সড়কের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে জমিটির মূল্য আরও বেশি হতে পারে। জমিসহ পাঁচতলা বাড়িটির আনুমানিক মূল্য প্রায় সাত কোটি টাকা বলে স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন। তবে তারা এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি হননি।
এই বাড়ির বাইরে সুনামগঞ্জ ও সিলেটের বিভিন্ন স্থানে আমিনুলের নামে-বেনামে আরও সম্পদ আছে। তার এসব অবৈধ সম্পদ নিয়ে পুলিশের অভ্যন্তরেও নানা আলোচনা রয়েছে।
গায়েবি মামলা, গ্রেফতার-বাণিজ্য ও নির্যাতন
ওসি আমিনুলের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ। অভিযোগকারীদের দাবি, সুনামগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সুরমা ও ধোপাজান নদীতে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন এবং সংশ্লিষ্ট চাঁদাবাজিতে মদদ দিয়েছেন। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। এ ছাড়া গায়েবি মামলা, রিমান্ডে নির্যাতন, কারাফটক থেকে গ্রেফতার, বিনা পরোয়ানায় আটক এবং গ্রেফতার-বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ আদায়ও করতেন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সুনামগঞ্জ শহরে বিএনপি, ছাত্রদল, জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে তিনি আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেন। তৎকালীন সময়ে তিনি সোর্সের মাধ্যমে নিয়মিত লাখ লাখ টাকা আদায় করতেন। দীর্ঘদিন জেলা শহরে যেসব পুলিশ কর্মকর্তা অবৈধভাবে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়েছেন আমিনুল তাদের অন্যতম বলে তার হাতে নির্যাতনের শিকার বিএনপি-জামায়াত নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।
কীভাবে পেলেন দিরাই থানার ওসির দায়িত্ব
এত অভিযোগ থাকার পরও বিএনপির এক প্রবাসী নেতার আত্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে তিনি অর্ন্তবর্তী সরকারের সময়ে নিজের ভাবমূর্তি পাল্টানোর চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও নানা তদবিরের মাধ্যমে আমিনুল দিরাই থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পান। চলতি বছরের ২ জুলাই তিনি এ পদে যোগ দেন। থানার ওসি হিসেবে এটিই তার প্রথম পদায়ন। তার পদায়ন নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যেও প্রশ্ন রয়েছে। এদিকে ওসি হিসেবে পদায়নের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুনামগঞ্জের ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা তার অতীত কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তদন্ত ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।
বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের নির্যাতন
পতিত হাসিনা সরকারের আমলে বিএনপি-জামায়াতের বহু নেতাকর্মী আমিনুলের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে ভুক্তভোগীরা সিলেটের ডাককে জানিয়েছেন। তৎকালীন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবকে মারধর করে কারাগারে পাঠানো, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে একটি কর্মসূচি শেষে গোপনে গন্তব্যে ফেরার সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকে আটকের ঘটনার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা। তারা জানান, শান্তিবাগ এলাকায় আমিনুলের বাড়ির পাশের একটি বাড়িতে গেলে তার স্ত্রী তাদের দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে সদর থানার তৎকালীন ওসি খালেদ এবং তৎকালীন সময়ে ডিবিতে দায়িত্ব পালনরত আমিনুলসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায়। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ফরহাদ, তৎকালীন আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম এবং সদস্যসচিব তারেক মিয়াসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়। আটকের পর তাদের মারধর করে নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ ধরনের আরও বহু ঘটনার সঙ্গে ওসি আমিনুল ইসলাম জড়িত ছিলেন। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাহমুদুর রহমান তারেকও আমিনুল ইসলামের নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ফরহাদ জানান, ওই দিন তিনি কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে রক্ষা পান। জাহাঙ্গীর আলম ও তারেক মিয়াকে গ্রেফতার করে নির্যাতনের পর কারাগারে পাঠানো হয়।
জামায়াত কার্যালয়ে ভাঙচুর, শিবির নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি
জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদেরও ওসি আমিনুলের নেতৃত্বে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৮ সালে হাসননগরে জেলা জামায়াতের কার্যালয় হিসেবে পরিচিত ইসলামিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে দরজা-জানালা ভাঙচুর করা হয়। একই সময়ে উপাধ্যক্ষ তোফায়েল আহমদ খান ও মমতাজুল হাসান আবেদের বাসায় অভিযানের নামে ভাঙচুরও করা হয়। এ ছাড়া মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি বাসায় জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি কুদরতে এলাহী মারুফকে লক্ষ্য করে পুলিশ গুলি চালায়। তিনি বলেন, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান । এসব ঘটনায় আমিনুল ইসলাম নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে লন্ডনপ্রবাসী কুদরতে এলাহী মারুফ ওই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের ভূমিকার তদন্ত দাবি করেছেন।
তার নির্যাতন ছিল ভয়াবহ: শাহ মো. ফরহাদ
সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ফরহাদ সিলেটের ডাককে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়ন ছিল। কিন্তু আমিনুল ইসলামের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। আমিনুল কতটা বেপরোয়া ছিলেন, সুনামগঞ্জের বিএনপি, ছাত্রদলসহ আমাদের নেতাকর্মীরা তার সাক্ষী। ফরহাদের ভাষ্য, আমিনুল ইসলামের কারণে তাদের পক্ষে ঘরবাড়িতে স্বাভাবিকভাবে অবস্থান করাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারণার সময় ধানের শীষের লিফলেট পর্যন্ত বিতরণ করতে দেননি ওসি আমিনুল। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ফরহাদ বলেন, আমিনুল ইসলাম বিএনপি নেতার আত্মীয় পরিচয় দেওয়ায় তারা ভেবেছিলেন, বিপদের সময় তিনি কিছুটা নমনীয় আচরণ করবেন। কিন্তু তাদের প্রত্যাশার বিপরীত ঘটনা ঘটে। তার স্ত্রী পুলিশ ডেকে এনে তাদের আটক করা হয় এবং মারধর করা হয়।
ফরহাদের দাবি, অতীতে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নে যুক্ত এমন একজন কর্মকর্তাকে থানার ওসির দায়িত্ব দেওয়ায় তারা বিস্মিত। তিনি আমিনুলের অতীত কর্মকাণ্ড তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমও অতীতের এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের যথাযথ বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এসব অতীত দিনের ঘটনা। আমরা এর সঙ্গে জড়িতদের যথাযথ বিচার চাই।
‘সাধারণ লোকজনকে ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ছিল নিয়মিত’
সুনামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার মামুন বলেন, এই পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে ন্যূনতম পেশাদারিত্ব ছিল না। এ জন্যই তিনি আমাদের সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে গেছেন। সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে পরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ছিল তার নিয়মিত কাজ।
‘তিনি জামায়াতের অফিসে ভাঙচুর করেছেন। পুলিশ প্রশাসনের উচিত, এ ধরনের অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং যোগ্য ও মানবিক কর্মকর্তাদের পদায়ন করা। এতে মানুষ উপকৃত হবেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’ সাবেক ছাত্রশিবির নেতা কুদরতে এলাহী মারুফ বলেন, ‘একমাত্র আল্লাহর দয়ায় বেঁচে আছি। না হলে সেদিন পুলিশের গুলিতে শহীদ হতাম। ওসি আমিনুল ওই ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন। তার কত ঘটনা বলব! তার প্রতিটি ঘটনার তদন্ত করতে হবে।’
অভিযুক্ত ওসি আমিনুলের বক্তব্য
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলাম সিলেটের ডাককে বলেন, ‘আমরা সরকারি চাকরি করি। চাকরির সময়ে আমাদের কাজে কেউ হয়তো খুশি হন, আবার কেউ মনঃক্ষুন্ন হন। যাদের কাজ করা সম্ভব হয় না, তারাই পরবর্তী সময়ে নানা অভিযোগ তোলেন। আমার বেলায়ও হয়তো এ রকম কিছু হয়েছে।’ শান্তিবাগে নিজের নামে পাঁচতলা বাড়ি থাকার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন। তবে তার দাবি, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বাড়িটি নির্মাণ করেছেন এবং এখনো সেই ঋণ পরিশোধ চলমান। কোন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যাংকের নাম এখন মনে নেই। কাগজপত্র দেখে ব্যাংকের নাম বলতে হবে।
পুলিশ সুপার যা বললেন
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এ.বি.এম. জাকির হোসেন পিপিএম বলেন, সাধারণত থানায় ওসি পদায়নের আগে পুলিশ কর্মকর্তার যোগ্যতার বিষয়টি প্রাধান্য দেওয়া হয়। জুলাই আন্দোলনে তার কী ভূমিকা ছিল, সেটিও দেখা হয়। এসব বিষয় বিবেচনা করার পর থানায় ওসি পদায়ন করা হয়। আমিনুল ইসলামকেও এভাবে পদায়ন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এরপরও যদি তার বিরুদ্ধে অতীতে দমন-পীড়নের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্যপ্রমাণ থাকে, তাহলে সেটি ভিন্ন কথা। তার হাতে নির্যাতিত কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ দিলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’



