শান্তিগঞ্জে কৃষিজমি রক্ষার্থে ও খাসজমি দখলমুক্ত করতে ইউএনও বরাবর অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ অক্টোবর ২০২৫, ৯:২৩:১৩ অপরাহ্ন
শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে কৃষিজমি রক্ষার স্বার্থে খাসজমি ও জলমহাল দখলমুক্ত করতে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিমুলবাঁক ইউনিয়নের আমড়িয়া, রুবাবালী ও কান্দাগাঁও গ্রামবাসী। আজ শুক্রবার বাদ জুম্মা আমড়িয়া কান্দাগাঁও রুপাবালী খাদিজাতুল কুবরা (রা:) মহিলা মাদ্রাসার মাটে সংবাদ সম্মেলন করেন এলাকাবাসী।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে পশ্চিম রামেশ্বরপুর মৌজাস্থিত দুই নং জেএল সংক্রান্ত এক নং খাস খতিয়ানের অন্তর্ভূক্ত কুড়িবিল, ছাতল বিল, উররার বিল, কান্দার খাড়া নামক জলমহালগুলো খাস খতিয়ানভূক্ত হওয়ায় আমড়িয়া গ্রামসহ আশপাশের এলাকার লোকজন মাছ ধরা, জলমহাল থেকে বোরো জমিতে সেচের পানি সংগ্রহ করাসহ বোরো জমি চাষাবাদ ও ধান উত্তোলন করতে উক্ত খাসজমি ব্যবহার করে আসছেন। বিগত মাঠ জরিপের সময় গ্রামের লোকজনের অগোচরে ইউপি সদস্য ফয়জুর রহমান সরকারি খাস খতিয়ানভূক্ত কুড়ি বিলের ৫৭ শতক জমি তার নামে মাঠ পর্চা করিয়ে নিজে দখল করে নিয়ে কৃষি জমিতে পানি সেচ, মাছ মারা সহ সকল ধরনের কার্যক্রম বন্দ করে দিয়েছে। এবং তাহার আতœীয় স্বজন সহ গ্রামের লোকজন ভিন্ন দাগের খাসখতিয়ানভূক্ত জায়গা দখল করে গ্রামের লোকজনের কৃষি জমিতে চলাচলের রাস্তাঘাট বন্দ করে দিয়েছে। যার ফলে উক্ত এলাকাবাসীর কৃষি জমিতে পানি সেচ ও চলাচল বড় ধরনের হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুকান্ত সাহা বরাবর উক্ত খাসজমি ইউপি সদস্য ফয়জুর রহমান সহ তার আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে দখলমুক্ত করে পূণরায় খাস খতিয়ানভূক্ত করাসহ কৃষি জমিতে সময়মত সেচ ও এলাকার জনগনকে মাছ আহরনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবীতে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আমড়িয়া গ্রামের মঞ্জুর আহমদ,আব্দুল কাহহার,আলীনুর, আতাউর রহমান,আব্দুল হান্নান, কান্দাগাঁও গ্রামের ফরিদ মিয়া, রুপাবালী গ্রামের আতাউর রহমান, ইউপি সদস্য ফয়জুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আমড়িয়া গ্রামের রইছ মিয়া, খলিলুর রহমান, এলখাছ মিয়া,আইনুল হক, ছমির উদ্দিন,শরীফ উদ্দিন,আশরাফ উদ্দিন,বশির আহমদ, আলফাজ উদ্দিন, ছালেহ আহমদ সহ প্রমুখ।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য ফয়জুর রহমান বলেন, আমি খাসজমি দখল করি নাই। আমার কাগজপত্র আছে।
এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুকান্ত সাহা বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




