জলাবদ্ধতা নিরসনে ৪৯৯ কোটি টাকা বরাদ্ধ পেলো সিলেট সিটি করপোরেশন
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১:২১:১১ অপরাহ্ন
ডাক ডেস্ক : জলাবদ্ধতা নিরসনে আরও ৪৯৯ কোটি টাকা বরাদ্ধ পেলো সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক)। সিলেট মহানগরীর অন্যতম সমস্যা জলাবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায় নগরীতে। গত ২০ বছরে সিলেট নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। তবুও সুফল মিলেনি।
এবার এই খাতে আবার বরাদ্দ পেলো সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। সিসিকের ৪৯৯ কোটি টাকার প্রকল্প গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদন পেয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও অবকাঠামো উন্নয়নে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সিসিক।
সিসিক সূত্র জানায়, ৪৯৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে নদী, খাল ও ড্রেন খননের কাজ করা হবে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে যেসব ওয়ার্ডে পানির লাইন নষ্ট বা সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে, সেখানেই অর্থ ব্যয় করা হবে। তবে নতুন করে কোনো ওয়ার্ডে পানির সংযোগ দেওয়া হবে না। অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে ড্রেন ও কালভার্ট নির্মাণে প্রাধান্য দেওয়া হবে। নগরবাসীকে পুরোপুরি স্বস্তি দেওয়া সম্ভব না হলেও সাময়িক স্বস্তির লক্ষ্যেই এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।
সিসিক সূত্র আরও জানায়, সিলেট সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশোধনের ফলে এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ও সরকারি অর্থায়নের অংশে কিছুটা হ্রাস আনা হয়েছে।
এ বিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর বলেন, এই প্রকল্পটি আমরা অনেক আগেই মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। আজকে অনুমোদন পেলো। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য যেসব কাজ পরিকল্পনায় আছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি ড্রেন ও কালভার্ট নির্মাণ করা হবে।
একই সভায় ঢাকা-কাঁচপুর থেকে সিলেট ও তামাবিল মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তর অংশে চতুর্থবারের মতো মেয়াদ বৃদ্ধির অনুমোদনও দেওয়া হয়।




