ওসামানীনগরে দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জন সহ ৪ জনের মৃত্যু
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২২ আগস্ট ২০২৬, ৮:১৩:৩৪ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটের ওসমানীনগরে তেলবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের ৩ জন সহ চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন- স্বামী, স্ত্রী ও তাঁদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে। এ ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকও নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিনজন। শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকার মাদানী সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামশী গ্রামের মৃত গফুর মিয়ার ছেলে নিয়ামত আলী (৪৫), তাঁর স্ত্রী উসুফা বেগম (৩০), তাঁদের মেয়ে আয়শা আক্তার (৫) এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার শেরপুরের মো. ফরিদ মিয়ার ছেলে লালন মিয়া (২৬)।
নিহত নিয়ামত আলীর ভাই গাজীরুল ইসলাম বলেন, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিলেট থেকে জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামশী গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন তাঁর ভাই। দুর্ঘটনায় নিয়ামত আলী, তাঁর স্ত্রী উসুফা বেগম ও তাঁদের মেয়ে আয়শা আক্তার নিহত হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেট থেকে ঢাকাগামী তেলবাহী ট্রাক ওসমানীনগরের ব্রাহ্মণগ্রাম (কসরতল) এলাকায় আসলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশায় থাকা সকলেওই গুরুতর আহত হলে তাদেরকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কতর্ব্যরত চিকিৎসক শিশুসহ চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আর আহত ৩ জন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে একজন আইসিইউতে রয়েছেন আর বাকি ২ জন হাসপাতালের ওয়ার্ডে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ওসমানী হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, নিহতদের লাশ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আর বাকিদের মধ্যে একজন আইসিউতে আর দুজন ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের তিনজনেরই অবস্থা গুরুতর।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত তেলবাহী ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে এর চালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে, গত ৭ আগস্ট সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের সংঘর্ষে নয়জন নিহত হন। এর মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে একই উপজেলায় ফের সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হলো।




