পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আলোচনাসভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান
সিরাত থেকে শিক্ষা নিয়ে সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব : বিভাগী কমিশনার
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৬:৪০ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপার্টার : সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. মশিউর রহমান বলেছেন, মহানবী (সা.) মদীনার কল্যাণরাষ্ট্রে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার নিশ্চিত করে যে শান্তিপূর্ণ সমাজব্যবস্থার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, আমাদের জাতীয় জীবনেও তা অনুসরণীয়। মহানবীর শিক্ষাকে পাথেয় করে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি নিরাপদ রাষ্ট্র গড়ে তোলা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
বুধবার (২৬ আগস্ট) নগরীর ইসলামিক ফাউন্ডেশন অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে এক আলোচনাসভা ও ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামি সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, সত্য, ন্যায় ও মানবতার বাণী প্রচারের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে সমাজ থেকে দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, গুজব, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ নির্মূলে ধর্মীয় নেতাদের সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ড. সৈয়দ শাহ এমরানের সভাপতিত্বে ও সৈয়দ ফখরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী ও ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি সিলেটের উপপরিচালক মো. আনোয়ারুল কাদির। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেটের সহকারী পরিচালক শাহাব উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে সিলেটের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আসা তিন শতাধিক প্রতিযোগীর মধ্যে চারটি গ্রুপে কেরাত, হামদ-নাত, কবিতা আবৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১২ জনের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ড. সৈয়দ শাহ এমরান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশে ধর্মীয় মূল্যবোধ বিকাশের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট চালু করে সেই ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেন। আশা করি বর্তমান সরকারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় নেতাদের সম্মানিত করার ধারা অব্যাহত রাখবে।



