ফরেন রিলেশনসের এনগেজমেন্টটা হচ্ছে মানুষের ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের ভিত্তিতে- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৫৬:১০ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের দিন তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এনিয়ে কথাবার্তা চলছে। তবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনা নেই। নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বৈঠকের সম্ভাবনা আছে।
আজ শনিবার সকালে সিলেট নগরীর একটি হোটেলে কর্মরত টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন ইমজা নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের সাথে হাজার সমস্যা থাকলেও আলোচনার পথ বন্ধ নেই। প্রতিবেশি হিসেবে ভারতের সাথে সুসম্পর্কই থাকা উচিত।
হুমায়ুন কবির বলেন, কীভাবে একটি সাইকোপ্যাথিক দুর্নীতি করা যায়, এনার্জি সেক্টর দেখলে বুঝা যাবে। তবে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন জ্বালানি খাতকে। জ্বালানীখাতের সঙ্কট সমাধানে সরকার আত্মরিকভাবে কজ করছে।
মক্কা চুক্তি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মক্কা চুক্তি নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে৷ এতে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য অস্বাভাবিক নয়। অনেক দেশই এখন একাধিক নিরাপত্তা জোটে থাকছে। জাতীয় ইন্টারেস্টের ভিত্তিতে যেখানে যাওয়া দরকার, সেখানে যাওয়া হবে- বলেন তিনি।
আমেরিকার কাছ থেকে বোয়িং কেনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বোয়িং কিনতে হবে এটা কেউ চাপিয়ে দিচ্ছে না, চাহিদা আছে বলেই আমেরিকা থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে, প্রয়োজনে আরও কেনা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী আমলের সিন্ডিকেটের কারণে মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রপ্তানীতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। বর্তমান সরকার এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে। ধাপে ধাপে শ্রমশক্তি রপ্তানি হবে।
কলকাতায় বাংলাদেশিদের হোটেল না পাওয়া এবং রাস্তায় রাত্রিযাপন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্পেসিফিক উদাহরণ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে আনলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হুমায়ূর কবীর বলেন, এখান থেকে পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসী, দেড় হাজার না আরো কত হাজার আল্লাহই জানে! মানে সব হিসাব-কিতাব করলে ১৫ বছরে মানুষ মেরে ওখানে আছে, পালিয়ে আছে। তো ওখান থেকে যদি তারে স্পেস দেওয়া হয়, তাহলে তো বাংলাদেশের মানুষের সেন্টিমেন্ট এটা যাবে, এগেইনস্টে যাবে। তখন দেয়ার ইজ প্রেসার ফর আস টু মানে অ্যাড্রেস দ্যাট। বিকজ আমাদের ফরেন রিলেশনসের এনগেজমেন্টটা হচ্ছে মানুষের ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের ভিত্তিতে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসী শেখ হাসিনাকে রিস্ট্রেইন করে রাখতে হবে। এটা তো আসলে খুব বড় আস্ক না। আমরা তো ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে এখানে জায়গা দিব না। ইনফ্যাক্ট, কোনো লেজিটিমেট পলিটিশিয়ানকে ভারত থেকে এসে বাংলাদেশে বসে ইন্ডিয়ার গভর্নমেন্টের এগেইন্সটে ব্রিফিং করা, এটা তো এলাও করব না, স্পেস তো এলাও করব না। তো আদারওয়াইজ ইটস সেড ইউ নো, সো হোয়াট হাসিনা সামটাইমস ইজ ইউ নো, দ্য স্পেস যেটা দেওয়ার এটা প্রাইভেট থেকে দেওয়া হোক আর পাবলিক থেকে দিক এটা প্রশ্ন না। দ্য ফ্যাক্ট দ্যাট দেওয়া হওয়াটা এটা ব্যাড প্রিসিডেন্ট তৈরি করে। তখন অন্য জায়গায় শুরু হবে। মানে হওয়ার পসিবিলিটি থাকে বা এসব ব্যাড এলিমেন্টসদের মানে আসি-আশিয়া মানে বিভিন্ন জন মানে এই মতামত একটা দেশের বিরুদ্ধে দেওয়ার, আমরা কখনো এলাও করব না বাংলাদেশে এগুলা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।




