শেভরন ও সুইসকন্ট্যাক্ট-এর উদ্যোগ
ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়সহ চারটি প্রতিষ্ঠানে সমন্বিত স্মার্ট হাইজিন কর্নার উদ্বোধন
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০৪:২৫ অপরাহ্ন
ডাক ডেস্ক ॥ শেভরন বাংলাদেশ সুইসকন্ট্যাক্ট-এর সহযোগিতায় স্মাইল প্রকল্পের আওতায় চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমন্বিত স্মার্ট হাইজিন কর্নার উদ্বোধন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসা। এই উদ্যোগের লক্ষ্য কিশোরী শিক্ষার্থীদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধি চর্চা উন্নত করা এবং নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা।
এ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান গতকাল শনিবার নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে মাসিক স্বাস্থ্যবিধি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও সামগ্রিক সুস্থতা বিষয়ে একটি ইন্টারেক্টিভ সচেতনতা সেশনের আয়োজন করা হয়। প্রায় ৫০০ জন ছাত্রী এই সেশনে অংশ নেয়। যেখানে স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ, স্যানিটারি সামগ্রীর নিরাপদ নিষ্পত্তি এবং হাত ধোঁয়ার অভ্যাস নিয়ে ব্যবহারিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য গোপনীয় পরিবেশে চিকিৎসকের সঙ্গে একান্ত পরামর্শের সুযোগও রাখা হয়।
প্রতিটি স্মার্ট হাইজিন কর্নারে রয়েছে: হাত ধোয়ার স্টেশন, শিক্ষামূলক পোস্টার, আইওটি-সক্ষম স্যানিটারি ন্যাপকিন. ডিসপেনসার মেশিন-যা এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রথমবারের মতো সংযোজন করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও গোপনীয়ভাবে স্যানিটারি পণ্য সংগ্রহ করতে পারে।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সমন্বয় ও মনিটরিং) মোঃ আব্দুল মান্নান, উপ-সচিব (উন্নয়ন উইং) মোছা: মাসুদা বেগম, বিবিয়ানা গ্যাস প্ল্যান্টের গ্যাস প্ল্যান্ট সুপারিনটেনডেন্ট আলান কায়েস চৌধুরী, শেভরনের হেড অব সোশ্যাল ইনভেস্টমেন্ট এ কে এম আরিফ আকতার, সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ-এর স্মাইল প্রকল্পের টিম লিডার মোঃ মকবুল হোসেন।
তাদের উপস্থিতি কিশোরী স্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রতি দৃঢ় সম্মিলিত অঙ্গীকারকে তুলে ধরেছে, যা উদ্যোগটির বিশ্বাসযোগ্যতা ও প্রভাবকে আরও শক্তিশালী করেছে।
নিয়মিত স্যানিটারি পণ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা, সামাজিক ট্যাবু দূর করা এবং স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে-এই স্মার্ট হাইজিন কর্নারগুলো শিক্ষার্থীদের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শেভরন বাংলাদেশ ও সুইসকন্ট্যাক্ট স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স বৃদ্ধিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নত করতে এই প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা হচ্ছে।




