সৌদি আরবের সাথে শরীয়তপুরের ৫০ গ্রামে ঈদ কাল
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ মার্চ ২০২৬, ৮:৫০:১০ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক : সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৫০টি গ্রামের মুসল্লিরা দীর্ঘদিন ধরে রোজা ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করে আসছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছরও তারা বাংলাদেশে একদিন আগে শুক্রবার ঈদ পালন করবেন বলে জানিয়েছে সুরেশ্বর দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষ।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুরেশ্বর দরবার শরীফের গদীনশীন পীর সৈয়দ বেলাল নূরী।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, সুফি সাধক জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরীর প্রতিষ্ঠিত সুরেশ্বর পাক দরবার শরীফকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এ ধর্মীয় প্রথা প্রায় ১৯২৮ সাল থেকে চলে আসছে। দরবারটির কয়েক লাখ ভক্ত ও অনুরাগী দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছেন। তারা মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে থাকেন। এ প্রথার অংশ হিসেবে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর, কেদারপুর, চাকধ, চন্ডিপুর এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ দারাগড়সহ প্রায় ৫০টি গ্রামের অন্তত ৪০ হাজার মুসল্লি শুক্রবার ঈদ উদযাপন করবেন।
প্রতি বছরের মতো এবারও সুরেশ্বর দরবার শরীফে পৃথক মাঠে একই সময়ে ঈদের নামাজের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিতব্য জামায়াতে ইমামতি করবেন শাহ সুফি সৈয়দ বেলাল নূরী আল সুরেশ্বরী ও মাওলানা মো. জুলহাস উদ্দিন।
দরবারের ভক্ত আকবর খান বলেন, আমাদের পরিবারে বহুদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করা হয়। পূর্বপুরুষদের অনুসরণ করেই আমরা এ প্রথা ধরে রেখেছি। ইনশা আল্লাহ ঈদের নামাজ শেষে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করব।
দরবারের খাদেম আলী হোসেন বলেন, আগামীকালের ঈদ জামাতের আয়োজনের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আমরা কাল ঈদ উদযাপন করব।
গদীনশীন পীর সৈয়দ বেলাল নূরী বলেন, পৃথিবীতে চাঁদ একটাই। তাই বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে আমরা সে অনুযায়ী তারাবি, রোজা ও ঈদ পালন করি। এ বছরও দরবার শরীফে পৃথক স্থানে একই সময়ে দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৫০টি গ্রামের ৪০ হাজার মুসল্লি এতে অংশ নেবেন।




