প্রতীক পেয়ে চূড়ান্ত লড়াইয়ে সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের ১০৪ প্রার্থী
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:০৬:৫২ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতীক পেয়েই চূড়ান্ত লড়াইয়ে নামছেন প্রার্থীরা। আচরণবিধির কারণে গত কয়দিন মাঠে নীরবতা থাকলেও আজ বৃহস্পতিবার থেকে পুরোদমে চলবে প্রচারণা। গতকাল বুধবার সিলেট বিভাগের ১৯ আসনে সর্বমোট ১০৪ জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। এরমধ্যে রয়েছেন সিলেটের ৬টি আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ৩৩ জন, সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে ২৩ প্রার্থী, মৌলভীবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ২৪ জন প্রার্থী ও হবিগঞ্জের ৪টি আসনে মোট ২৪ জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
সিলেট জেলার ৬টি আসনে ৩৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব প্রতীক বরাদ্দ করা হয়।
সিলেট জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সিলেটের ৬টি আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ৩৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা ও তাঁদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নিজ নিজ প্রতীক সংগ্রহ করেন।
প্রতীক বরাদ্দ অনুযায়ী, সিলেট-১ আসনে ৮ জন, সিলেট-২ আসনে ৫ জন, সিলেট-৩ আসনে ৬ জন, সিলেট-৪ আসনে ৫ জন, সিলেট-৫ আসনে ৪ জন ও সিলেট- ৬ আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন।
সিলেট-১ আসনে- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পেয়েছেন দলীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান ‘দাঁড়িপাল্লা’, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী আকমল হোসেন ‘ট্রাক’, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান ‘হাতপাখা’, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ‘কাস্তে’ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রণব জ্যোতি পাল ‘মই’, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শামীম মিয়া ‘আপেল’ এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদীর সঞ্জয় কান্ত দাস ‘কাঁচি’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনা (ধানের শীষ), গণফোরামের মুজিবুল হক (উদীয়মান সূর্য), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির উদ্দিন (হাতপাখা), খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ মুনতাসির আলী (দেওয়াল ঘড়ি), জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরী (লাঙ্গল) প্রতীক পেয়েছেন।
সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মালিক (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আনওয়ারুল হক (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাকিম রাজা (ফুটবল), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুসলেহ উদ্দিন রাজু (রিকশা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মাইনুল বাকর (কম্পিউটার) প্রতীক পেয়েছেন।
সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের জয়নাল আবেদীন (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মুজিবুর রহমান (লাঙ্গল),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাঈদ আহমদ (হাতপাখা), গণ অধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলাম (ট্রাক)প্রতীক পেয়েছেন।
সিলেট-৫ আসনে বিএনপির জোটের জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের উবায়দুল্লাহ ফারুক (খেজুর গাছ), বিএনপির বহিষ্কৃত প্রার্থী মামুনুর রশীদ (ফুটবল), খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আবুল হাসান (দেওয়াল ঘড়ি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের বিলাল হোসেন (হারিকেন) প্রতীক পেয়েছেন।
সিলেট-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। ট্রাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়বেন গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী জাহিদুর রহমান। জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুন নুর পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বরাদ্দ পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে।
এদিকে প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রার্থীদের নিয়ে এক সভা করেন সিলেটের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সারওয়ার আলম। সভায় তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
মৌলভীবাজার থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, চায়ের রাজধানী খ্যাত মৌলভীবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ২৪ জন প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার দুপুর থেকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পর্যায়ক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ২৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা ও তাঁদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নিজ নিজ প্রতীক সংগ্রহ করেন।
জেলা রিটার্নিং কার্যালয়ের তথ্যমতে, মৌলভীবাজার-১ আসনে ৬ জন, মৌলভীবাজার-২ আসনে ৮জন , মৌলভীবাজার -৩ আসনে ৪ জন ও মৌলভীবাজার-৪ আসনে ৬ জন প্রার্থী নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
মৌলভীবাজার-১ আসন (বড়লেখা-জুড়ী) জাতীয় পার্টির আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন (লাঙ্গল), বিএনপির নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র বেলাল আহমদ (কাপ-পিরিচ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), গণঅধিকার পরিষদের মো. আব্দুন নূর (ট্রাক) ও গণফ্রন্টের মো. শরিফুল ইসলাম (মাছ)।
মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল কুদ্দুস (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী এম জিমিউর রহমান চৌধুরী (ঘোড়া), স্বতন্ত্র নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন (ফুটবল), জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল মালিক (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র মো. ফজলুল হক খান (কাপ-পিরিচ), বিএনপির মো. শওকতুল ইসলাম (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. সায়েদ আলী (দাঁড়িপাল্লা) ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী (কাঁচি)।
মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনে বিএনপির নাসের রহমান (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল মান্নান, (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির জহর লাল দত্ত (কাস্তে) ও খেলাফত মজলিসের আহমদ বিলাল (দেওয়াল ঘড়ি)।
মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) বিএনপির মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র মো মহসিন মিয়া (ফুটবল), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শেখ নূরে আলম হামিদী (রিকশা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ জরিফ হোসেন (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মো. আবুল হাসান (মই) ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রীতম দাশ (শাপলা কলি)।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জানান, জেলার ৫টি আসনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন ২৩ জন প্রার্থী। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনে ৩জন, সুনামগঞ্জ-২ আসনে ৩জন, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে ৭ জন, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে ৫ জন, সুনামগঞ্জ-৫ আসনে ৫ জন প্রার্থী রয়েছেন।
বুধবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে’ সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের একে একে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দের পর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ও প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের হাতে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেন।
সুনামগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ, বই প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন নেজামে ইসলাম পার্টি মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মুজাম্মিল হক তালুকদার।
সুনামগঞ্জ-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. নাছির চৌধুরী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন মোহাম্মদ শিশির মনির, কাস্তে প্রতীক পেয়েছেন কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত প্রার্থী নিরঞ্জন দাস।
সুনামগঞ্জ- ৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রিক্সা প্রতীক পেয়েছেন খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ শাহীনূর পাশা চৌধুরী, তালা প্রতীক পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আনোয়ার হোসেন, টেবিল ঘড়ি প্রতীক পেয়েছেন মো: মাহফুজুর রহমান খালেদ (তুষার), দেওয়াল ঘড়ি প্রতীক পেয়েছেন খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদ, ঈগল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম, ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হুসাইন আহমেদ।
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম, মোটরসাইকেল প্রতীক পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছেন জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোঃ নাজমুল হুদা, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোঃ সামছ উদ্দিন, হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী শহীদুল ইসলাম।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবু তাহির মুহাম্মদ আব্দুস সালাম, দেওয়াল ঘড়ি প্রতীক পেয়েছেন খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছেন জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আম প্রতীক পেয়েছেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো: আজিজুল হক।
হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের ৪টি আসনে মোট ২৪ জন প্রার্থীর মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। পরে প্রার্থীরা প্রতীক পেয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন।
প্রতীক পাওয়া প্রার্থীরা হলেন- হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া (বিদ্রোহী) (ঘোড়া), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম (রিকসা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ বদরুর রেজা (চেয়ার), জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দল বাসদ এর প্রার্থী কাজী তোফায়েল আহমেদ মোটরগাড়ি (কার)।
হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান (ধানের শীষ), খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুল বাছিত আজাদ (দেওয়াল ঘড়ি), স্বতস্ত্র প্রার্থী সাংবাদিক আফছার আহমেদ (ফুটবল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ-এর প্রার্থী লুকমান আহমদে তালুকদার (মই), জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল মোক্তাদির চৌধুরী (লাঙ্গল)।
হবিগঞ্জ-৩ (সদর, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাই) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জি কে গউছ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামির প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমেদ (দাড়িপাল্লা), ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল মুমিন চৌধুরী (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী শাহিনুর রহমান (ছড়ি), বাংলাদেশ ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী এসএম সরওয়ার (মোমবাতি)।
হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ ফয়সল (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী (ঘোড়া), বাংলাদেশ ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন (মোমবাতি), খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদের (দেওয়াল ঘড়ি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী শাহ মো. আল আমিন (হারিকেন), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ-এর প্রার্থী মুজিবুর রহমান (মই), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম খোকন (ছড়ি), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী রেজাউল মোস্তাফা (আপেল)।




