মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্রবাহিনীর হারানো গল্প পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২:৪০:৫১ অপরাহ্ন
নজরুল ইসলাম বাসন :
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর হারানো গল্প পুনরুদ্ধারের জন্যে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার স্থানকে চিহ্নিত করার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ও গবেষণা ফাউন্ডেশনের সভাপতি কর্নেল এম এ সালাম বীর প্রতীক বলেন, সিলেটের ক্যাডেট কলেজের পেছনের ১৯৭১ সালের বধ্যভূমিকে ইতিমধ্যে শহীদ স্মৃতি উদ্যানে রূপান্তরিত করা হয়েছে। বধ্যভূমিকে স্বাধীনতার শহীদদের স্মৃতি উদ্যানে রূপান্তরিত করার সফলতার পর পরবর্তী প্রকল্প হচ্ছে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ম্যানেজার বাংলোকে সংরক্ষণ করা।
১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ার ম্যানেজার বাংলোতে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সেনা সদর দফতর স্থাপিত হয় এবং এখানে সমর কৌশল নির্ধারণ করা হয়। তদানীন্তন এম এন এ অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল এম এ জি ওসমানীকে সামরিক বাহিনীর প্রধান ও বাংলাদেশকে ৮টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং সেনাবাহিনীর অফিসারদের সেক্টর কমান্ডার হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় ও মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সামরিক সদর দফতর তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোকে সংরক্ষিত করার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্যে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ও গবেষণা ফাউন্ডেশনের সভাপতি কর্নেল এম এ সালাম বীর প্রতীক সরকার ও সেনাবাহিনীর সাথে সমন্বয় সাধন করে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি তিনি ১৭ ডিভিশনের জিওসি এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল রিদওয়ানুর রহমান এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ও গবেষণা ফাউন্ডেশনের সভাপতি কর্নেল এম এ সালাম বীর প্রতীক বলেন, ১৯৭১ সালের আমাদের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের অনেক হারানো গল্প আছে। আমাদেরকে এই হারানো গল্প ইতিহাসে সংযোজিত করে জাতীয় স্বার্থে তা সংরক্ষণ করতে হবে। আমরা সেনাবাহিনীর এই গৌরবময় অর্জনকে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবো। এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।



