সিলেটে জ্বালানি তেলের সংকট যে কারণে-
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২৫ মার্চ ২০২৬, ১২:১৩:৩৪ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার: ঈদের ছুটির কারণে ৬দিন ব্যাংক বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েন সিলেটের স্বল্পপুঁজির পেট্রোল পাম্প মালিকরা। সোমবার অনেকে পেট্রোল পাম্পে গিয়ে তেল ক্রয় করতে পারেননি। ব্যাংক খোলায় মঙ্গলবার সকাল থেকে সংকট কিছুটা কেটেছে। পাম্প বন্ধ হওয়ারও আশঙ্কা নেই সংশ্লিষ্টদের। তবে, অবৈধ মজুদ ঠেকাতে বিপিসি (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন)-এর রেশনিংয়ের কারণে পাম্পগুলো ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে কিছুটা হিমশিম খাচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট এন্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান জানান, ঈদের ছুটির সময় তিন কারণে সিলেটে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট দেখা দেয়। ব্যাংক বন্ধ থাকায় স্বল্পপুঁজির পেট্রোল পাম্প মালিকদের পে অর্ডার করতে না পারা, অ্যাডভান্স করে পে অর্ডার না করা এবং সোস্যাল মিডিয়ায় পেট্রোল পাম্পে তেল পাওয়া যাবে না মর্মে চটকদার ফটোকার্ড।
তিনি বলেন, ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে গত ৪/৫ দিন সিলেটের ছোট ছোট পাম্পগুলো গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে কিছুটা বেকায়দায় পড়ে।
তিনি জানান, ছোট ছোট পাম্পগুলো প্রতিদিনের ব্যাংক পে-অর্ডার প্রতিদিন করে। কিন্তু, ব্যাংক বন্ধের কারণে তারা পে-অর্ডার করতে পারেনি। এটা এসব পাম্পের মালিকদের নিজস্ব ব্যর্থতা। আবার বড় বড় পাম্পগুলো অ্যাডভান্স করে পে-অর্ডার করায় তাদের সমস্যা হয়নি। এছাড়া, তেল না প্রাপ্তির বিষয়ে চটকদার ফটোকার্ডের ফলে অতিরিক্ত গ্রাহকরা পাম্পগুলোতে গিয়ে ভিড় করেন।
তবে, ব্যাংক খোলায় মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিকভাবেই পাম্পগুলো তেল পাওয়া যাচ্ছে। তিনি জানান, অবৈধ মজুদদারি ঠেকাতে বিপিসি’র রেশনিংয়ের কারণে গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে বলে তিনি স্বীকার করেন।




