সিলেটে নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ভবন নির্মাণ নিষিদ্ধ’, গণবিজ্ঞপ্তি জারি
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ৯:২৮:২১ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট নগর ও সংলগ্ন এলাকায় পরিকল্পিত উন্নয়ন, সুশৃঙ্খল নগরায়ণ এবং পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। এখন থেকে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন এবং অনুমোদিত নকশা ব্যতীত কোনো ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করা যাবে না। একই সাথে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৩-এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর সিউক ব্যতীত অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতির মাধ্যমে সম্পাদিত কার্য পরিচালনা অকার্যকর ও অননুমোদিত বলে গণ্য হবে।
সংস্থাটি নাগরিক, ভূমির মালিক, ভবন নির্মাণকারী ও আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ৭টি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। যেগুলো হলো- ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন এবং জলাধার খনন বা পুনঃখননের আবেদন নাইওরপুলস্থ সিউক কার্যালয়ে জমা দিতে হবে; ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ অনুসরণে সিউকের আওতাধীন এলাকায় ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা, নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণকাজের তত্ত্বাবধানের জন্য সিউকের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারের মাধ্যমে আবেদন দাখিল করতে হবে; রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী সকল রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারকে সিউকে নিবন্ধিত হতে হবে; কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ, পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ করা যাবে না; অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে হবে; অবৈধ দখল, ভরাট বা পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকুন; প্রয়োজনে সিউকের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা গ্রহণ করুন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, “আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘন করে পরিচালিত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”



